মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২১st এপ্রিল ২০১৯

কারুশিল্পী পদক

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের অন্যতম কার্যক্রম কারুশিল্পী পুরস্কার প্রদান। ২০১০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ফাউন্ডেশন এই কর্মসূচি পালন করে আসছে। 

রাজশাহীর মৃৎশিল্পের শখের হাঁড়িতে-শ্রী সুশান্ত কুমার পাল, সোনারগাঁয়ের নকশিকাঁথা শিল্পী-মিসেস হোসেনে আরা বেগম, সোনারগাঁও এর কাঠের চিত্রিত হাতি ঘোড়া পুতুল কারুশিল্পে- শ্রী আশুতোষ চন্দ্র সূত্রধরকে শ্রেষ্ঠ কারুশিল্পী পুরস্কার প্রদান করা হয়। এতে মোট ৩জন কারুশিল্পীকে সম্মানিত করা হয়।  

২০১৫ সালে রংপুরের শতরঞ্জি কারুশিল্পে-জনাব মো. রমজান আলী এবং টাঙ্গাইলের বাঁশ-বেত কারুশিল্পে-জনাব মো. শাহাজাহান মিয়াকে শ্রেষ্ঠ কারুশিল্পী পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

২০১৬ সালে মুন্সিগঞ্জের শীতল পাটিশিল্পে-শ্রীমতি সবিতা রানী মোদী, নারায়ণগঞ্জের সরাচিত্র শিল্পে-শ্রী সুধন্য চন্দ্র দাস, কুমিল্লার তামা-কাঁসা-পিতল শিল্পে-মো. মানিক সরকার এবং ঢাকার পাটের শিকা শিল্পে-মিসেস সুফিয়া আক্তারসহ ৪ জন সম্মানিত কারুশিল্পীকে কারুশিল্পী পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

২০১৭ খ্রিস্টাব্দে শোলার কারুশিল্পে মাগুরা জেলার শ্রী শংকর মালাকার, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জের জামদানি শিল্পে জনাব মো: শাহ আলম মিয়া এবং জয়পুরহাট জেলার টেপাপুতুল শিল্পে শ্রী বিশ্বনাথ পালকে কারুশিল্পী পুরস্কার প্রদান করা হয়।

২০১৮ খ্রিস্টাব্দে  কাগজের মুখোশ কারুশিল্পে সুবোধ কুমার পাল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কারুশিল্পে বুই চাং পেয়াং ফ্রে, নকঁশি হাতপাখা কারুশিল্পে সুচিত্রা রানী(মরনোত্তর) ও নকঁশি তালপাতার পাখা শিল্পে আবুল কালাম আজাদ( মরনোত্তর) কে কারুশিল্পী পুরস্কার প্রদান করা হয়।

 

২০১০ খ্রি. থেকে চলতি বছর পর্যন্ত সর্বমোট ১৬ জন সম্মানিত কারুশিল্পীকে পুরস্কার প্রদান করা হলো।


Share with :

Facebook Facebook